728 x 90
728 x 90
728 x 90
Advertisement
create a new WordPress Website

কাজিপুরের ৪ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় সদর উপজেলায় হওয়ায় মান সম্মত পাঠপ্রদান ব্যহত

কাজিপুরের ৪ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় সদর উপজেলায় হওয়ায় মান সম্মত পাঠপ্রদান ব্যহত

কাজিপুরের ৪ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় সদর উপজেলায় হওয়ায় মান সম্মত পাঠপ্রদান ব্যহত

 এম এ মজিদ (সিরাজগঞ্জ থেকে): যমুনা নদীর ভাঙ্গনের কারণে সিরাজগঞ্জ জেলার কাজিপুর উপজেলার ৪ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রায় ৭/৮ বছর যাবৎ সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলায় অবস্থান করায় বিদ্যালয়গুলোতে অবকাঠামোগত উন্নয়ন না হওয়ায় পাঠপ্রদান ব্যহত হচ্ছে। গত ২১ সেপ্টেম্বর সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, শূভগাছা ইউনিয়নের ঝুমকাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়২০১৪ সালের জানুয়ারী মাসে ভাঙ্গনের কবল পড়লে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমান বিদ্যালয়টির অবস্থান সিরাজগঞ্জ সদর রতনকান্দি ইউনিয়নের গজারিয়া গ্রামে। মোট ৬ জন শিক্ষক এই বিদ্যালয়ে কর্মরত আছেন। প্রধান শিক্ষক মকবুল হোসেন জানান বিদ্যালয় ভবনে যাতায়াত সহ অবকাঠামোগত উন্নয়ন না হওয়ায় শিক্ষার্থী ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে। একই ইউনিয়নের চাঁদনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মোট ৪ জন কর্মরত রয়েছেন। ২০১৩ সালে এই বিদ্যালয়টি স্থানান্তরিত হয়ে বর্তমান অবস্থান রতনকান্দি ইউনিয়নরে বাহুকা গ্রামে। প্রধান শিক্ষক আলম খান জানান কাজিপুরের বাইরে স্কুলের অবস্থান হওয়ায় সরকারি সকল সূযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত রয়েছে।এর অল্প কিছু দুরে ৩৮ নং আফানিয়া সরকারি বিদ্যালয়ের অবস্থান। বিদ্যালয়টির অবস্থান সিরাজগঞ্জের সদর উপজেলার ছোনগাছা ইউনিয়নে।এই বিদ্যালয়টি ২০১৩ সালে ভেঙ্গে বর্তমান স্থানে অবস্থান করছে। বিদ্যালয়ে মোট ৭ জন শিক্ষক কর্মরত আছেন।ছাত্র-ছাত্রীতে ভরপুর হলেও বিদ্যালয়টির অবকাঠামোগত উন্নয়ন নেই। প্রধান শিক্ষিকা আফরোজা খাতুন জানান অবকাঠামোগত উন্নয়ন দুরে থাক শিক্ষার্থীদের বসার জায়গা পর্যন্ত দিতে পারিনা।শূভগাছা ইউনিয়নের চোরমারা সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়ে ৪ জন শিক্ষক কর্মরত এই বিদ্যালয়ে। গত প্রায় ৫ বার ভেঙ্গে বর্তমান অবস্থান সদর উপজেলার বাহুকাতে। স্কুলটিতে মাত্র ৮ জন শিক্ষার্থী অধ্যায়ন রত আছে। অবকাঠামোগত উন্নয়ন নেই বললেই চলে। প্রধান শিক্ষক জানান চলতি বছরের গোড়ার দিকে ৩লক্ষ টাকা ব্যায়ে একটি সেমিপাকা ঘর নির্মাণ করা হলেও নিন্মমানের কাজ হওয়ায় ঘরটি ইতোমধ্যেই পাঠপ্রদানের অনোপযোগি হয়ে পড়েছে। স্কুল সমূহের বিষয়ে কাজিপুর শিক্ষা কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলির অবস্থান অন্য উপজেলায় হওয়ার কারণে অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা যাচ্ছে না। বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী কম হওয়ার বিষয়টি জানতে চাইলে শিক্ষা কর্মকর্তা জানান নদীর ভাঙ্গনে বিদ্যালয়গুলির অবস্থান পাশাপাশী হওয়ায় শিক্ষার্থী কমে গেছে তবে একেবারে কম হলে প্রয়োজনে বিদ্যালয়গুলি উর্দ্বোতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে সমন্বয় করা হবে ৷

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos

ক্যালেন্ডার

December 2021
F S S M T W T
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31