728 x 90
728 x 90
728 x 90
Advertisement
create a new WordPress Website

নন্দীগ্রামে সাংবাদিকদের উপর হামলাকারীর পক্ষে ওসি কামরুলের অবস্থান

নন্দীগ্রামে সাংবাদিকদের উপর হামলাকারীর পক্ষে ওসি কামরুলের অবস্থান
নন্দীগ্রামে সাংবাদিকদের উপর হামলাকারীর পক্ষে ওসি কামরুলের অবস্থাননিজস্ব প্রতিবেদক

নন্দীগ্রামে সাংবাদিকদের উপর হামলাকারীর
পক্ষে ওসি কামরুলের অবস্থান

বগুড়ায় রুরাল জার্নালিষ্ট ফাউন্ডেশন আরজেএফ ও ইউনাইটেড প্রেস ক্লাব নন্দীগ্রাম উপজেলা শাখার সভাপতি আমিনুল ইসলাম জুয়েল উপর সন্ত্রাসী হামলা হয় গত বৃহস্পতিবার ২২ এপ্রিল উপজেলার ৫ নং ভাটগ্রাম ইউনিয়নের বর্ষন গ্রামে দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে বগুড়া জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়। গত বৃহস্পতিবার ২২ শে এপ্রিল রাতে নন্দীগ্রাম থানায় জুয়েলের পক্ষে মামলা দিতে গেলে সাংবাদিক ও আইন সহায়তা কেন্দ্র (আসক) ফাউন্ডেশনের উত্তরবঙ্গের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদকে ওসি গ্রেফতার দেখিয়ে গত ২৩ এপ্রিল কোর্টে প্রেরণ করে। যদিও গতকাল রবিবার আবু সাঈদের জামিন প্রদান করেন বিজ্ঞ আদালত। বিষয়টি নিশ্চিত করে স্থানীয় আরজেএফ এর সাধারন সম্পাদক আবু সাঈদ। জানা যায়, নন্দীগ্রামে ৪ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবিতে ৩০ ই মার্চ নন্দীগ্রাম আরজেএফ ও ইউনাইটেড প্রেসক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক আমিনুল ইসলাম জুয়েলের হাত-পা কেটে নেওয়ার এবং তার একমাত্র মেয়েকে কিডন্যাপের হুমকি দিয়েছে উপজেলার ভাটগ্রাম ইউনিয়নের বর্ষণ গ্রামের মোঃ মোকছেদ আলীর ছেলে রফিকুল ইসলাম সহ তিনজন মুখোশ পরা ব্যাক্তি। এই ঘটনায় সাংবাদিক আমিনুল ইসলাম জুয়েল বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। সেই শত্র“তার জের ধরেই গত ২২ ই এপ্রিল সকাল ১০ ঘটিকায় গত ২২ এপ্রিল এই হামলা চালায়। এ বিষয়ে সাংবাদিক জুয়েলের মা জানান, উপজেলার ৫ নং ভাটগ্রাম ইউনিয়নের বর্ষণ গ্রামের পৌঁছাতেই এই সন্ত্রাসীরা রামদা, হাসুয়া, চাকু নিয়ে আমার ছেলের উপর এই হামলা করে এই ঘটনায় সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি ও উর্ধ্বতন প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। নন্দীগ্রাম থানার ওসি কামরুল হাসান বলেন, পূর্ব শত্রুতার জেরে এই ঘটনা ঘটে জুয়েল ও রফিককুল ইসলামের মধ্যে। ৩ থেকে ৪ বছরের ঘটনা নিয়েই মারামারি করে দুই গ্রুপের লোকজন হাসপাতালে ভর্তি আছে। কোন গ্রুপ মামলা করতে আসলে মামলা নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিব। কিন্তু ওসি একপক্ষের মামলা নিয়ে সাংবাদিক সাঈদ ও জুয়েলসহ ৮ জনের নামে যুবলীগ নেতা কামরুলের মিথ্যা বানোয়াট মামলায় অভিযুক্ত করে গ্রেফতার দেখায়। অন্যদিকে ওসি কামরুল হাসান প্রতিপক্ষ প্রভাবশালী একটি বিশেষ দলের প্রভাবে প্রভাবান্তিত হয়ে সম্পূর্ন একপেষে হয়ে হামলাকারীদের পক্ষেই অবস্থান নেয়। প্রকৃতপক্ষে তিনি হামলাকারী গ্রুপের কাছেই অজ্ঞাত কারণে অসহায় হয়ে পড়েন। এদিকে গতকাল রবিবার বগুড়া প্রেসক্লাবে সাংবাদিক জুয়েলের মা মোছা: বেবী নাসরিন এক সংবাদ সম্মেলনে সন্ত্রাসীদের হামলা ও ওসি’র অমানবিক কর্মকাণ্ডের বিষদ বিবরণ দিয়ে সুষ্ঠু তদন্ত এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনী পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য বগুড়া পুলিশ সুপর আলী আশরাফসহ উর্দ্ধতন কর্মকতাদের প্রতি আবেদন জানান। তিনি বলেন নতুবা সন্ত্রাসীদের হাত থেকে এবং অসাধু ওসি’র হাত থেকে আমরা রক্ষা পাবো না।

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos